সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৫:৩০ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
৩৫০০ পিস ইয়াবাসহ দুই ইয়াবা ব্যাবসায়ীকে আটক করেছে র‍্যাব ১০ নয়াবাজারে নারীকে প্রতারণা ও নির্যাতনের অভিযোগ: মানবাধিকার সংস্থায় অভিযোগ দায়ের। প্রিয় ঢাকা ৭ আসনবাসী আসসালামু আলাইকুম। আমি আলহাজ্ব রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ মনি। কেরানীগঞ্জে ডিবি (দক্ষিণ) এর অভিযানে ২,০০০ পিস ইয়াবাসহ ১জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার বিএনপি নেতা ও জনপ্রিয় কাউন্সিলর ইকবাল হোসেনকে মেয়র হিসেবে দেখতে চান নারায়ণগঞ্জবাসী বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহারে ফুলেল শুভেচ্ছা অব্যাহত আসন্ন নির্বাচন বাঁধা দেওয়ার ক্ষমতা কারো নাই — আমান উল্লাহ আমান ইয়ূথ কাউন্সিল অব বাংলাদেশ(ওয়াই.সি.বি)র সভাপতি অধ্যাপক ড. মো: তৌফিকুল ইসলাম মিথিল ও আন্তর্জাতিক যুব সংগঠক এম্বাসেডর সোহাগ মহাজন মহাসচিব নির্বাচিত। জুলাই সনদ পাশ করার দায়িত্ব সরকারের, তবে সংবিধানকে লংঘন করে নয় —- বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায় কেরাণীগঞ্জে র‌্যাব-১০ এর অভিযানে ২টি বিদেশি পিস্তল ও ২টি ম্যাগাজিন উদ্ধার কেরানীগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। ঢাকা – ৭ আসনের ধানের শীষের পক্ষে গণসংযোগ করেন রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ মনি।

রাজশাহীর বাঘায় গাছপাকা আম ২০ টাকা কেজি

Homeদেশবাংলার সংবাদ

জুন ১০, ২০১৯    

রাজশাহী প্রতিনিধি,

রাজশাহীর বাঘায় গাছপাকা লকনা আম ১৮-২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে থেকে কিনে নিয়ে যাচ্ছে ছোট ছোট ফড়িয়া ব্যবসায়ীরা। রোববার চকবাউসা গ্রামের নজরুল ইসলাম নামের এক ফড়িয়া ব্যবসায়ী আড়ানী গোচর গ্রামের বাড়ি বাড়ি ঘুরে ২০ টাকা কেজিতে আম কিনতে দেখা গেছে।

সূত্রে জানা গেছে, বাগান মালিকরা পাকা আম গাছ থেকে নামিয়ে বাড়িতে রাখে। এই আম প্রতিদিন সকালে ফড়িয়া ব্যবসায়ীরা বাড়ি বাড়ি ঘুরে ২০ টাকা কেজিতে ক্রয় করছে। এই আম আবার তারা উপজেলার বিভিন্ন আড়তে ২২ থেকে ২৫ টাকা কেজিতে বিক্রি করছে।

উপজেলার গোচর গ্রামের আম বাগান মালিক মাজদার রহমান সরদার বলেন, আমার আম বাগানে প্রতিটি গাছে ব্যাপক আম আছে। বাগানের আম বিক্রি করা হয়নি। ফলে প্রতিদিন সকালে পাকা আম গাছ থেকে নামিয়ে বিক্রি করছি। এভাবে দুই সপ্তাহ যাবৎ আম বিক্রি করছি। প্রতি কেজি লকনা আম ১৮-২০ টাকায় বিক্রি করেছি।

উপজেলার আড়ানী পৌর বাজারের মঞ্জুর রহমান নামের এক ব্যবসায়ী বলেন, গাছপাকা আম কিনে ঢাকায় চালান করি। এই আম ১৮ টাকা থেকে ২০ টাকা কেজি দরে ক্রেতাদের কাছে থেকে ক্রয় করছি।

গাছপাকা আম বিক্রেতা রাশু মণ্ডল বলেন, আমি বাগান পাহারাদার। পড়ে যাওয়া পাকা আম ফরিয়াদের কাছে বিক্রি করি। বাগান মালিকরা এগুলোর টাকা নেয় না।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শফিউল্লা সুলতান বলেন, গাছে আম পাকলে বোটা নরম হয়ে পড়ে যায়। এই আম বাজারে বিক্রি হতে দেখা যাচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত © সংবাদ সবসময় - ২০২৩
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়ঃ Marshal Host