বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:২৪ অপরাহ্ন

শামীম আহম্মেদ ঃ
নাইকো দুর্নীতি মামলায় বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের শুনানী পিছিয়ে ৩০মে নির্ধারন করেছে আদালত। আজ শনিবার(১৯মে) সকাল ১১টায় কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারের পাশে একটি ভবনে স্থাপিত অস্থায়ী আদালতের বিচারক শেখ হাফিজুর রহমান এ দিন ধার্য করেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন থাকায় খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজির করা যায়নি বলে জানান দুদকের আইনজীবি মোশারফ হোসেন কাজল। আদালতে শুনানীর সময় পলাতক তিন আসামী ছাড়া বাকী সবাই উপস্থিত ছিলেন। এসময় খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানী করেন আইনজীবি মাসুদ তালুকদার।তিনি বারবার মহামান্য আদালতের কাছে আপত্তি জানানোর পরেও বিজ্ঞ আদালত ৩০ মে পরবর্তী শুনানীর দিন ধার্য করেন। দুদকের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম সাবেক তত্ব বধায়ক সরকারের আমরে ২০০৭সালের ৯েিডসেম্বর তেজগাঁও থানায় এ মামলাটি দায়ের করেন। এ মামলায় বেগম খালেদা জিয়াসহ ১১জনকে আসামী করা হয়। পরের বছর মে এই ১১জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। অভিযোগপত্রে আসামীদের বিরুদ্ধে ১৩হাজার ৭৭৭ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির অভিযোগ আনা হয়। মামলার অন্য আসামীরা হলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী একেএম মোশারফ হোসেন, তৎকালিন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রনালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার শহীদুল ইসলাম, সাবেক সিনিয়র সহকারী সচিব সিএম ইউছুফ হোসাইন, বাপেক্সের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মীর ময়নুল হক, বাপেক্সের সাবেক সচিব মোঃ শফিউর রহমান, ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, বাগেরহাটের সাবেক সংসদ সদস্য এমএইচ সেলিম এবং নাইকোর দক্ষিন এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ। এ মামলার ১১জন আসামীদের মধ্যে বাপেক্সের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মীর ময়নুল হক, তৎকালিন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও নাইকোর দক্ষিন এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ পলাতক রয়েছেন এবং বাপেক্সের সাবেক সচিব মোঃ শফিউর রহমান মৃত্যবরন করেছেন। খালেদা জিয়ার আইজীবি মাসুদ তালুকদার উপস্থিত সাংবাদিকদের জানান, ৩০মের পরে এমামলার পরবর্তী শুনানীর দিন ধার্য করার জন্য মহামান্য আদালতকে আমরা বাবরবার আপত্তি জানানোর পরেও তিনি ৩০মেই শুনানীর দিন ধার্য করেন। সবাই জানে এবং বিজ্ঞ আদালতও জানে ৩০ মে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী। আমার মনে হচ্ছে এটা মহামান্য আদালতের একটি নির্ধাদিত আদেশ। সরকারের পক্ষের দুদকের আইনজীবি মোশরফ হোসেন কাজল বলেন,এমামলায় শুধু খালেদা জিয়া ছাড়া সবার চার্জ শুনানী হয়েছে। অসুস্থতার কারনে খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজির করা সম্ভব হয়নি। ৩০ মে চার্জ শুনানীর দিন ধার্য করার বিষয়ে তিনি আরো বলেন, চার্জ গঠনের তারিখ ধার্য করা মহামান্য আদালতের বিষয়। এব্যাপারে আমার কোন মন্তব্য নেই।