বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:২৯ অপরাহ্ন

মোবাইল ব্যাংকিং প্রতারক চক্রের ০৭ জন সক্রিয় সদস্য আটক।
ইমরান হোসেন ইমু,
র্যাব-১০ এর বিশেষ অভিযানে মোবাইল ব্যাংকিং প্রতারক চক্রের ০৭ জন সক্রিয় সদস্যকে আটক করা হয়েছে।এ সময় তাদের নিকট হতে১০,০৯,২৭৭/- টাকা, ১২ টি মোবাইল ফোন, ১৫ টি সিম কার্ড, ০২ টি ট্যাব, ০৭ টি বিকাশের ক্যাশ ইন-আউট রেজিস্টার উদ্ধার করাহয়।
র্যাব-১০ জানায়, কয়েকজন ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে সিপিসি-১,র্যাব-১০ এর কোম্পানী কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ সাইফুর রহমান এর নেতৃত্বে একটি দল গত ০৯জুন হতে ১০জুন ২০২০ তারিখ পর্যন্ত রাজধানীসহ গাজীপুর, ফরিদপুর ও মাগুরা জেলায় অভিযান পরিচালনা কওে প্রতারণার মাধ্যমে মোবাইল ব্যাংকিং গ্রাহকের মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়া প্রতারক চক্রের ০৭ জন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করে। এ সময় তাদের নিকট হতে১০,০৯,২৭৭/- টাকা, ১২ টি মোবাইল ফোন, ১৫ টি সিম কার্ড, ০২ টি ট্যাব, ০৭ টি বিকাশের ক্যাশ ইন-আউট রেজিস্টার উদ্ধার করাহয়। গ্রেফতারকৃত আসামীদেও নাম১। মোঃ আকাশ শেখ (২৩), পিতা- বিপুল শেখ, মাতা- বনানী শেখ, সাং- বাদলী খালকুলা, থানা- বালিয়াকান্দি, জেলা- রাজবাড়ী, বর্তমানে- ঘোষবাগ, ইটখলা থানা- আশুলিয়া, ঢাকা , ২। মোঃ জোবায়ের হোসেন (২৫), পিতা- মোঃহাবিবুররহমান, মাতা- ফাতেমা বেগম, সাং- বাহেরগজালিয়া, থানা- গলাচিপা, জেলা- পটুয়াখালী, বর্তমানে- ২৪৮, গরমপানিরগলি, ফকিরাপুল, মতিঝিল, ঢাকা, ৩। মোঃমনির হোসেন (৪০), পিতা- মোঃআলী হোসেনখান, মাতা- মর্জিনা বেগম, সাং- দক্ষিণবালিয়া, থানা- চাঁদপুরসদর, জেলা- চাঁদপুর, বর্তমানে- ২০৬, ফকিরাপুল ১ম গলি, থানা- মতিঝিল, ঢাকা, ৪। বাদলমন্ডল (৩৫), পিতা- নিলাম্ভর মন্ডল, মাতা- মায়ারানীমন্ডল, সাং- ৬নং ওয়ার্ড, টঙ্গীবাড়ী, থানা- আশুলিয়া, ঢাকা, ৫। মোঃআলমগীর হোসেন (৩৩), পিতা- মোঃমারফতআলী, মাতা- শাহনাজ বেগম, সাং- সাধুপাড়া থানা- আশুলিয়া, ঢাকা, ৬। নাসির হোসাইন (২৪), পিতা- সিরাজমুন্সি, মাতা- মেহরুন্নেছা, সাং- বরিলহাট, থানা- ভাঙ্গা, জেলা- ফরিদপুর, ৭। মোঃশিমুলমিয়া (২৪), পিতা- জিয়াউলহক, মাতা- হালিমা বেগম, সাং- নজরপুর থানা- হোমনা, জেলা- কুমিল্লা, বর্তমানে- গুলবাগ, ইটখোলা, থানা- আশুলিয়া, ঢাকা।
র্যাব-১০ আরো জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানাযায়,তারা সংঘবদ্ধ মোবাইল ব্যাংকিং প্রতারক চক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা কৌশলে তথ্য প্রযুক্তির অপব্যবহার কওে গ্রাহকদের কাছে ফোন কলের মাধ্যমে এবং কাস্টমার কেয়ার নাম্বার স্পুফিং/ক্লোনিং কওে গ্রাহকদের এ্যাকাউন্টের তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে লাখলাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এই চক্রটি বিভিন গ্রুপে বিভক্ত হয়ে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। মাঠপর্যায়েএকটি দলএজেন্টদের দোকান সহ বিভিন্ন ভাবে গ্রাহকের মোবাইল নম্বরসহ অন্যান্য তথ্য সংগ্রহপূর্বক স্পুফিং /ক্লোনিংটিমকে সরবরাহ করে। স্পুফিং/ক্লোনিং টিমের সদস্যরা নাম্বার ক্লোন কওে অন্য টিমকে দেয়। যারা ফেইক কাস্টমার কেয়ার কর্মকর্তার পরিচয়ে গ্রাহকদের ফোন করে তাদের একাউন্ট ও গোপন নাম্বার নিয়ন্ত্রনে নিয়ে সংশ্লিষ্ট এ্যাকাউন্টে প্রবেশ করে অর্থ হাতিয়ে নেয়। অপরএকটি দল মাঠ পর্যায়ে বিভিন্ন এজেন্টের সহায়তায় উক্ত টাকা উত্তোলন করে। এ সংঘবদ্ধ চক্রটি দীর্ঘ দিন যাবৎ রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় তাদের অপরাধ মূলক কর্মকান্ড চালিয়ে আসছে বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রতীয়মান হয়।
আসামীদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা রুজুর বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।