শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২৬ পূর্বাহ্ন

বাবার সামনে ছেলেকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী এবং হত্যাকারী মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী এলাকা থেকে গ্রেফতার।
র্যাব-১০ এর বিশেষ অভিযানে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানাধীন শনির আখড়া এলাকায় বাবার সামনে ছেলেকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী এবং হত্যাকারী মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী এলাকা থেকে গ্রেফতার।
অদ্য ০১/০৩/২০২০ইং তারিখ আনুমানিক ০৬:০০ ঘটিকার সময় র্যাব-১০, সিপিসি-১ এর কোম্পনী কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ সাইফুর রহমান এর নেতৃত্বে একটি আভিযানিক দল রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানাধীন শনির আখড়া এলাকায় বাবার সামনে ছেলেকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী এবং হত্যাকারীকে মুন্সিগঞ্জ জেলার টঙ্গীবাড়ি থানা এলাকা হতে আটক করেন। তার বিরুদ্ধে উক্ত ঘটনার জন্য যাত্রাবাড়ী থানায় একটি হত্যা মামলা রুজু হয়েছে- মামলা নং ১০৪, তারিখ- ২৫/০২/২০২০ ইং, ধারা- ৩০২/৩৪ পিসি। আটককৃত আসামির নাম মোঃ রাজু বেপারী, পিতা- মোঃ কামাল বেপারী, মাতা- রানু বেগম, সাং-কেদারপুর, থানা- নড়িয়া, জেলা- শরীয়তপুর, বর্তমান ঠিকানা- গোবিন্দপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে আলমের বাড়ীর ভাড়াটিয়া, থানা- যাত্রাবাড়ী, ঢাকা।
উল্লেখ্য যে, গত ২৫/০২/২০২০ইং তারিখ অনুমান ১৪০০ ঘটিকার সময় ধৃত আসামী রাজুসহ রুবেল, নয়ন, অনিক ও জিহাদ ভিকটিম মোঃ ইমন (১৭) এর সাথে পূর্ব শত্রæতার জের ধরে ভিকটিমকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে যাত্রাবাড়ী থানাধীন গোবিন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সন্নিকটে পাগলা মেডিকেল রোড খোকন মিয়ার বাড়ীর সামনে অবস্থান করে। এ সময় ভিকটিম ইমন ও তার বাবা আবু বকর সিদ্দিক (৪২) কর্মস্থল থেকে দুপুরের খাবার খাওয়ার জন্য বাসায় ফেরার পথে ঘটনাস্থলে আসামী রাজুসহ তার সহযোগীরা আকস্মিকভাবে তাদের পথরোধ করে এবং ধৃত আসামী রাজু তার হাতে থাকা ধারালো চাকু দিয়ে ভিকটিম ইমনের বুকে সজোরে আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করে। ভিকটিমের বাবার ডাক-চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে আসামীরা ঘটনাস্থল হতে দ্রæত পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে ভিকটিম ইমনকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।
অনুসন্ধানে আরো জানা যায় যে, গত ২৩/০২/২০২০ইং তারিখে ভিকটিম ইমনের গায়ে আসামীদের এক বন্ধু কর্তৃক সাইকেল লাগিয়ে দেওয়াকে কেন্দ্র করে ভিকটিম এবং আসামীদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। যার পরিপ্রেক্ষিতে এ হত্যাকান্ড ঘটে।
ধৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।