শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩৫ অপরাহ্ন

শামীম আহম্মেদ ঃ
কেরাণীগঞ্জের শুভাঢ্যা ইউনিয়নের কৈবর্ত্যপাড়া ও চরকালিগঞ্জ এলাকায় ভেজাল বিরোধী অভিজান চালিয়েছে র্যাব-১০ কেরাণীগঞ্জ ক্যাম্প। আজ ১৫ মে রোজ বুধবার দিনভর এ অভিজানে বিক্রয়নিষিদ্ধ মেয়াদোত্তীর্ণ পচাগলা দুইটন খেজুর জব্দ করেছে র্যাব-১০ সদস্যরা। এসময় তারা মেয়াদোত্তীর্ণ পচাগলা খেজুর বিক্রির দায়ে জহিরুল ইসলাম(৩৫) ও মানহীন আইসক্রীম বিক্রির দায়ে সোনীয়া আইসক্রীম ফ্যাক্টরীর মালিক বোরহান মুন্সী (৪৫)কে আটক করে নিয়ে আসে। পরে তাদের ভ্রম্যমান আদালতের মাধ্যমে বিচারের আওতায় আনা হলে ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহীম্যাজিষ্ট্রেট ও কেরাণীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহেএলিদ মাইনুল আমিন আসামী জহিরুলকে ১০মাসের বিনাশ্রম কারদন্ড ও বোরহান মুন্সীকে নগদ ১০ হাজার টাকা জরিমানা ধার্যকরেন।
ও্যাব-১০ কেরাণীগঞ্জ ক্যাম্পের ডিএডি মো.বদিউল আলম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার সকালে কেরাণীগঞ্জ উপজেলা সেনিটেশন কর্মকর্তা মো.শাহীনুর আলমের উপস্থিতিতে প্রথমে তারা শুভাঢ্যা ইউনিয়নের কালিগঞ্জ কৈবর্ত্যপাড়া এলাকার আফতাব হোসেনের বাড়িতে তল্লাশী চালায়। এসময় তারা ওই বাড়ির একটি ভাড়া কক্ষে বিপুল পরিমান মজুদকৃত বিক্রয়নিষিদ্ধ মেয়াদোত্তীর্ণ পচাগলা খেজুর উদ্ধার করে। একইসাথে এ খেজুর বিক্রিরসাথে জড়িত থাকায় জহিরুল নামের একজনকে আটক করে। পরে এ আভিজানিক দলটি চরকালিগঞ্জ বড়ইতলা এলাকার দানেশ মিয়ার বাড়িতে অভিজান চালিয়ে আরো অনেক বিক্রয়নিষিদ্ধ মেয়াদোত্তীর্ণ পচাগলা খেজুর উদ্ধার করে। মোট উদ্ধারকৃত খেজুরের পরিমান প্রায় দুইটণ হবে বলে জানান কেরাণীগঞ্জ উপজেলা সেনিটেশন কর্মকর্তা মো.শাহীনুর আলম। এছাড়া তারা একই এলাকায় সোনীয়া আইসক্রীম ফ্যাক্টরীতে অভিজান চালিয়ে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও মানহীন আইসক্রীম উৎপাদনের দায়ে ফ্যাক্টরী মালিক বোরহান মুন্সীকে আটকরে নিয়ে আসেন।
ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনাকারি নির্বাহীম্যাজিষ্ট্রেট ও কেরাণীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহেএলিদ মাইনুল আমিন বলেন, র্যাবের অভিজানে জব্দকৃত খেজুর মেয়াদোত্তীর্ণ ও পচাগলা যা জনস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ঝুকিপুর্ণ। পবিত্র মাহে রমজানে ধর্মপ্রান রোজাদারগণ খেজুর দিয়ে ইফতার করে থাকেন । তাই প্রতিবছর রমজান এলেই খেজুরের চাহিদা বেড়েযায় । এই সুযোগে এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ীরা অতিমুনাফার আশায় এ ধরনের মানহীন পন্য বিক্রিতে মেতে ওঠেন। যা জনস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক। কাজেই এদেরকে অবশ্যই আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন। #